Donate

স্বচ্ছতা

বিডি ফ্যাক্টচেক উৎস, ফান্ডিং, কার্যক্রম এবং সংস্থার স্বচ্ছতা রক্ষায় অঙ্গিকারবদ্ধ। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে সেকশন ৫০১(সি)(৩) এর অধীনে ননপ্রফিট সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত। এর কাজের আওতা হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বসবাসরত বাংলাদেশী ডায়াসপোরা।

অর্থের স্বচ্ছতা

বিডি ফ্যাক্টচেক যাবতীয় তহবিলের উৎস সম্পর্কে সর্বদা স্বচ্ছ থাকে। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে (www.bdfactcheck.com) তহবিল সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য প্রকাশ করেছি এবং নিশ্চিত করেছি যে সমস্ত তথ্য জনগণের জন্য উপলব্ধ অর্থ। আমরা এটিও নিশ্চিত করি যে ফ্যাক্ট চেকিং প্রক্রিয়া এবং প্রকাশনার উপর আমাদের ফান্ডারদের কোনও প্রভাব নেই।

বিডি ফ্যাক্টচেক তহবিলের বিস্তারিত:

বিডি ফ্যাক্টচেক বাংলাদেশে একটি স্বতন্ত্র ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা হিসাবে কাজ করে আসছে ২০১৭ সাল থেকে। তবে এটি ২৩ শে মার্চ, ২০২০ থেকে আমেরিকার ইলিনয়ে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিবন্ধিত।

২০১৭

স্ব-অর্থায়ন – পরিচালনা বাবদ ৫০০ ডলার।

২০১৮

স্ব-অর্থায়ন – পরিচালনা বাবদ ৫০০ ডলার।

২০১৯

স্ব-অর্থায়ন – পরিচালনা বাবদ ৫০০ ডলার।

ফোজো: মিডিয়া ইনস্টিটিউট – ওয়েবসাইট বিনির্মাণ এবং প্রশিক্ষণের বাবদ ১৫,০০০ ডলার।

২০২০

স্ব-অর্থায়ন: পরিচালনা বাবদ ৫০০ ডলার।

ফোজো: মিডিয়া ইনস্টিটিউট

পদ্ধতিগত স্বচ্ছতা

বিডি ফ্যাক্টচেক পাচঁটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ফ্যাক্ট চেক করে থাকে। এগুলো হচ্ছে ফ্যাক্ট নির্বাচন, গবেষণা, লিখন, সম্পাদনা, এবং সংশোধন।

১. নির্বাচন: বিডি ফ্যাক্টচেক যেকোন বিষয়ের উপর ফ্যাক্ট অনুসন্ধান করে না। সংস্থাটি শুধু সেসব বিষয়ের ফ্যক্ট চেক করে যেগুলোর সমাজে ব্যাপক প্রভাব আছে। কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য যা প্রেস রিলিজ, বিজ্ঞাপন কিংবা সংবাদ প্রতিবেদনের মধ্যদিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় শুধু সেগুলোর ফ্যাক্ট চেক করে থাকে বিডি ফ্যাক্টচেক। সংস্থাটি কোন অনুমান কিংবা তথ্যসূত্রবিহীন কোন বক্তব্যের ফ্যক্ট চেক করে না। বিডি ফ্যাক্টচেক যেসব সূত্র থেকে ফ্যাক্ট চেকের বিষয় ঠিক করে সেগুলো হচ্ছে: বিজ্ঞাপন, প্রেস রিলিজ, সংবাদ, ওয়েবসাইট, টেলিভিশন টকশো, ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক দলের ফেসবুক, টুইটার একাউন্ট, জনসভার বক্তব্য ইত্যাদি।

২. গবেষণা: বিডি ফ্যক্টচেক বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকে। যদি কোন বক্তব্য সংস্থাটির কাছে মিথ্যা, প্রতারণাপূর্ণ, কিংবা ভূয়া বলে মনে হয় তখনই তারা এর ফ্যক্ট চেক করে থাকে। গবেষণার মধ্য দিয়ে যে সমস্ত বিষয়ের উপযুক্ত প্রমাণ সংস্থাটির হাতে থাকে সেগুলোকেই প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়। বিডি ফ্যাক্টচেক তথ্য সংগ্রহের জন্য সবসময় প্রাথমিক তথ্যসূত্রের উপর নির্ভর করে। এছাড়া কোন প্রতিবেদনের ব্যাখ্যাদানের জন্য সংস্থাটি সবসময় দল-মত নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকার নেয়।

৩. লিখন: বিডি ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন তৈরিতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করে থাকে। এব্যাপারে সংস্থাটির নিজস্ব নিয়মাবলী রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে: ক. প্রতিবেদনে কোন ব্যক্তি বিশেষ কিংবা প্রতিষ্ঠানকে আক্রমণ করা হবে না। শুধু তথ্যের ফ্যাক্ট যাচাই করা হবে। খ. প্রতিবেদনে বিডি ফ্যাক্টচেকের কোনো নিজস্ব মতামত থাকবে না, শুধু ফ্যাক্টটা উপস্থাপন করবে। গ. বিডি ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারে জেন্ডার সংবেদনশীল থাকবে। ঘ. বিডি ফ্যাক্টচেক মতাদর্শিকভাবে কারো মুখাপেক্ষী নয়। প্রতিবেদনেও তা রক্ষা করা হবে। ঙ. বিডি ফ্যাক্টচেক ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্ক প্রণীত ফ্যাক্ট চেকার্স কোড অব প্রিন্সিপালস্ এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রতিবেদনেও তা রক্ষা করা হবে।

৪. সম্পাদনা: বিডি ফ্যাক্টচেকের প্রতিটি প্রতিবেদন সম্পাদনার টেবিল হয়ে প্রকাশিত হবে। সংস্থাটির সম্পাদক প্রতিবেদন সম্পাদনা করবেন। প্রতিবেদন সম্পাদনায় “ক্লোজ অবজারভেশন” পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে।

৫. সংশোধন: প্রতিবেদন প্রকাশের পর যদি দেখা যায় কোন তথ্যে ভুল আছে তাহলে তা সংস্থাটির নিয়মানুযায়ী সংশোধন করা হয়। বিডি ফ্যাক্ট চেকের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত কোন তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারে তাহলে তা সংশোধন করা হয়। পাঠক চাইলে কোন তথ্য সম্পর্কে উপযুক্ত প্রমাণাদি দিয়ে ভুল সংশোধন করতে পারেন। এজন্য “যুক্ত হোন” অপশনে গিয়ে সংস্থাটির কাছে লিখতে পারেন অথবা সরাসরি “যোগাযোগ” করতে পারেন।

প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা

বিডি ফ্যাক্টচেক যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে সেকশন ৫০১(সি)(৩) এর অধীনে ননপ্রফিট সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত। এর কাজের আওতা হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বসবাসরত বাংলাদেশী ডায়াসপোরা।

নিবন্ধিত ঠিকানা: ৩১৩  ইস্ট মিল স্ট্রিট, কার্বনডেল, ইলিনয় ৬২৯০১, যুক্তরাষ্ট্র।

নিবন্ধনের তারিখ: ২৩ মার্চ, ২০২০।

নিয়োগকারী সনাক্তকরণ নম্বর: ৮৫-০৪৯১২১৯

আমাদের সংস্থা এবং লোকবল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: http://www.bdfactcheck.com